Bangla news paper today



Bangla news paper today




Bangla news paper today

সবার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন,একটি দেশের সকল নাগরিকের চাওয়া কোন গুলো? আপনি ও একজন নাগরিক ভাবুন তো আপনি কি চান, আসুন বিষয়টি এতো জটিল না করে সহজ করে বলি পরে আপনার নিজের সাথে মিলিয়ে নিবেন - Bangla news ,paper today


আপনি কি শান্তি কথাটির সাথে পরিচিত, শান্তি জিনিস টা কি কোনোদিন আপনার জীবনে এসেছে,যদি আপনি শান্তি কি বিষয় টা জানেন তাহলে আমি চোখ বন্ধ করেই বলতে পারি আপনি সারাজিবন চাইবেন শান্তিতে থাকতে। Bangla news paper today

শুধু আমি আর আপনি নন পৃথিবীতে অধিকাংশ মানুষ চান শান্তিতে থাকতে। আমরা যেটাই করি না কেনো আমাদের উদ্দেশ্য থাকে আমাদের জীবনে শান্তি নিশ্চিত করা। 

কিন্তুু নাগরিক হিসেবে অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের নেওয়া বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্তের জন্য আমাদের শান্তি বিনিষ্ট হচ্ছে। Bangla news paper today

আপনি কি বলতে পারেন সরকার কোন বিষয়টির ওপর আরো নজর দিলে এবং জোরালো করলে বা সচেতন হলে দেশের নাগরিকের শান্তি নিশ্চিত হবে।

আপনি হয়তো বলবেন শান্তি নিশ্চিত করতে সকল ক্ষেত্রেই সু-নজর দিতে হবে আরো উন্নতি করতে হবে, আমি আপনার সাথে একমত হলে ও একটি দিক আছে যেখানে উন্নতি না হলে অন্য সকল উন্নতি নাগরিকের শান্তি নিশ্চিত করতে পারবে না।

আইন 

একটি দেশের শান্তি নির্ভর করে সেই দেশের আইনের শাসন ব্যবস্তার উপর। অফিস আদালত, সরকারি,বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সরকারি, বেসরকারি প্রজেক্ট, ব্যবস্তাপনা পরিচালক, এবং সকল ডিফেন্স বাহিনী সকল ক্ষেত্রে যদি আইনের সঠিক প্রয়োগ করতে পারে তাহলে শান্তি নিশ্চিত হবে। 


আরো অনেক খাত রয়েছে যেখানে প্রতিদিন দূর্নীতি করা হচ্ছে সেখানে যদি আইনের সঠিক প্রয়োগ করা যায় তাহলে দেশের উন্নতির সাথ সাথে শান্তি ও প্রতিষ্ঠিত হবে। 

যে কোনো ধরনের চাকরির জন্য সরকারি হোক বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সেখানে টাকার বিনিময়ে অযোগ্য লোক নিয়োগ দিচ্ছে অথবা যোগ্য লোকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেখানে আইনের নজরদারী আরো বাড়াতে হবে। সেখানে আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। 

কারণ কেউ যদি অনেক টাকার বিনিময়ে চাকরি পায় পরবর্তীতে সেই বেক্তি ও অন্যের কাছে থেকে অবৈধ ভাবে টাকা নেওয়া শিখে যাবে। 

সরকারি ভাবে বিভিন্ন প্রজেক্টের বাজেট পাশ করার সময় থেকে শুরু করে সকল ক্ষেত্রে আইনের সুক্ষ্ম দৃষ্টি রাখা উচিত। সরকারি কোষাগার থেকে টাকা টা মন্ত্রির হাতে দেওয়া থেকে শুরু করে টাকা জেলা পর্যায়ে পৌছানো পর্যন্ত যতোটি হাত বদল হবে সেটা সরকারি আইনের নজরদারিতে থাকা উচিৎ। 

তা না হলে বাঁশ দিয়ে ব্রিজ তৈরী হবে আর দশ বছর মেয়াদের রাস্তা দশ মাসে ভেঙে যাবে। 

রাস্তাঘাট সহ সকল পাবলিক প্লেসে মানুষের নিরপত্তা নিশ্চিত করতে আরো বেশি পরিমাণে আইনি জনবল নিয়োগ দেওয়া উচিত। একটি দেশ যতোই অর্থনৈতিক ভাবে উন্নত হোক না কেনো সেই দেশের মানুষ যদি অর্থ হারানোর ভয়ে রাতে ঠিকঠাক ঘুমাতে না পারে সেই উন্নয়নের মানে নেই। 

রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাতে দিনে রাস্তায় যানবাহনে ছিনতাই এখন নিত্যদিনের ঘটনা।এছাড়া হত্যা করা হচ্ছে দিনে দুপুরে মানুষের সামনে, ধর্ষণের স্বীকার হচ্ছে অসংখ্য নারী যেখানে শিশুরা ও বাদ যাচ্ছে না। 

আমার কথা হলো এই সকল অন্যায় কর্মকাণ্ড যারা করছেন তাদের শাস্তির ব্যবস্থা এতো দূর্বল কেনো। বাংলাদেশের আইনের অবস্হা এতো খারাপ কেনো। মানুষের চোখের সামনে হত্যা হচ্ছে, আসামি স্বীকার করার পর ও বলা হয় বিষয় টি আমরা তদন্ত করে দেখছি 

শাস্তি এমন একটি বিষয় যেটা দেখে অন্যজন নিজেকে শুধরে নেওয়ার জন্য সুযোগের সন্ধান করবে। বিদ্যালয়ের সেই দিনটির কথা মনে আছে যেদিন স্যার হটাৎ করে ক্লাসে পড়া ধরা শুরু করতো আর পড়া না হলেই বেতের বাড়ি দিতে শুরু করতো সামনের জনের মার দেখে পেছনের জন পার্থনা করতো আমাকে যেনো না ধরে কেউ কেউ বলতো স্যার কাল অবশ্যই পড়ে আসবো। সেটাই ছিলো শাস্তির সঠিক পদ্ধতি সবাই কে মারা লাগবে না একজন কে মারলে পাঁচজন ভালো হয়ে যাবে। 

আর বাংলাদেশের আইনের শাস্তি, আমি নিজে প্রমাণ একজন মারাত্মক আসামি জেল হাজত থেকে আসার পর বলে আমার অভ্যাস আছে যাওয়ার যে বেশি কথা বলবে তারই খবর আছে। একজন অপরাধী কে শুধরনোর জন্য শাস্তি দেওয়া হয় কিন্তুু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্ভব হয় না। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আসামির আরো সাহস বেড়ে যায়। 

তাহলে কি আইনের আওতায় থাকার পর ও তাকে যথাযথ উত্তম মাধ্যম দেওয়া হয়নি। এখানে প্রশ্ন আসার দরকারিই নাই কারণ অবশ্যই আসামি কে দূরষকৃতিকরীকে যথাযথ শাস্তি দেওয়া হয়নি। যদি দেওয়া হতো তাহলে তার জবানবন্দি শুনে আরো দশজন আসামির বুক কেঁপে উঠতো অন্যায় করার আগে।Bangla news paper today

একজন মানুষ কে বার বার শাসন করার পর ও যদি একের পর এক অন্যায় করে যায় তাহলে ধরে নিবেন সে আর মানুষ নেই যদি সে মানুষ হতো অবশ্যই ভালো মন্দ বিচার করতে পারতো যদি সে বিচার করতে না পারে তাহলে সে পশু হয়ে গিয়েছে তাকে হয় আটকে রাখতে হবে না হলে মেরে দিতে হবে কারণ হিংস্র পশু খোলা থাকলে যেকোনো সময় মানুষের ক্ষতি করতে পারে।

অনেক অনেক ব্যাখ্যা আছে অনেক প্রমাণ আছে, অনেক কিছু ঘটেছে, অনেক কিছু ঘটছে সব ক্ষেত্রেই আমাদের আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত না করতে পারলে শান্তি আসবে না। 

কারণ মানুষ যখন নিয়মের বাইরে গিয়ে জীবন যাপন করে তখন সে কালবৈশাখী ঝড়ো হওয়ার মতো অসহায় ও সাধারণ মানুষের উপর দিয়ে বয়ে যায় তাই মানুষ কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আইনই খাতে সৎ নিষ্ঠাবাণ লোকজন নিয়োগ দিতে হবে। 

কোনো রকম ২ নাম্বারি কাজ কাম দেখা মাত্রই সাথে সাথে জনসম্মুখে তার শাস্তির ব্যবস্হা করতে হবে। মানুষ রুপি পশু গুলি যারা মুক্ত হাওয়া খেয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের ধরে যতো তারাতাড়ি সম্ভব খাঁচায় বন্দী করতে হবে তা না হলে হিংস্র পশুর কামড়ে সাধারণ মানুষ গুলো মারা পড়বে। 

সব শেষে একটি কথা বলতে চাই আইনের হাত আরো শক্ত করুন। চোখ কান খোলা রেখে কাজ করুন। অন্যায় কে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দিয়েন না। রক্ষা করুন দেশটাকে। 

 

Post a Comment

Previous Post Next Post