dialysis




dialysis

 dialysis





dialysis

আমাদের দেহের প্রতিটি অঙ্গ পতঙ্গ খুবই গুরুত্বপূর্ণ এর মধ্যে কিডনি dialysis ও অন্যতম, আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে কিভাবে আমরা কিডনির যত্ন নিতে পারি। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই গুরুত্বপূর্ণ  কিডনি ভালো রাখতে কিছু দিক নির্দেশনা - 


কিডনি বা বৃক্ষের কাজ হলো রক্তের অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য বা দূষিত উপাদান সমূহকে ফিল্টার বা ছাকনের মাধ্যমে মূত্রের সঙ্গে দেহের বাইরে বের করে দেওয়া। কিডনি সংক্রমণের ফলে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়। 

dialysis

কিডনি রোগের ফলে কিডনি রক্তকে পূর্বের ন্যায় ছাকতে পারে না। ফলে দূষিত বর্জ্য প্রস্রাবের সঙ্গে দেহ থেকে বাইরে যাই না। 

কিডনি রোগের প্রধান কারণ অস্বাস্থ্যকর খাদ্য অভ্যাস ও জীবন যাপন পদ্ধতি। 

dialysis

কিডনি রোগের লক্ষ্মণ (১)- 

  • রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় 
  • যৌন অক্ষমতা দেখা দেয় 
  • প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যায় 
  • ক্ষুধামন্দা দেখা দেয় 
  • ঝিমানি ভাব আসে 
  • প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া করে 
  • ঘন ঘন প্রস্রাব হয় 
  • পৃষ্ঠদেশে ব্যাথা হয় 
  • রাত করে জ্বর আসে 

কিডনী রোগের লক্ষণ (২)-

  • রক্তে ইউরিয়া বৃদ্ধি পায় 
  • রক্তে পটাশিয়ামের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় যা হাইপারক্যালেমিয়া নামে পরিচিত 
  • আয়রনের ঘাটতি বা এনেমিয়া দেখা দেয় 
  • রক্তে বা ধমনিতে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায় 
  • প্রোটিন ও লোহিত রক্ত কনিকা হ্রাস পায় 
  • হাত পা, মুখমণ্ডল অস্বাভাবিক ভাবে ফুলে ওঠে

কিডনী নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচার উপায় - 

কিডনি ভালো রাখতে নিম্নলিখিত অভ্যাসগুলো গড়ে তুলতে হবে -

  1. সঠিকভাবে এবং সঠিক পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। 
  2. নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে 
  3. অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিহার করতে হবে। 
  4. পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে 
  5. বেশি বেশি পরিমাণে শাকসবজি খেতে হবে। 
  6. ধুমপান ও অ্যালকোহল বন্ধ করতে হবে 
  7. মাংস, ঘি,ডিম সহ সকল প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার কম খাবেন 
  8. যৌন মিলিনের পর সাথে সাথে প্রস্রাব করতে হবে ও যৌনাঙ্গ ধুয়ে ফেলতে হবে যাতে করে ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে না পারে।

কিডনি ভালো রাখতে প্রাকৃতিক প্রতিষেধক -



রসুন - রসুনে রয়েছে alicin যা কিডনি ড্যামেজ প্রতিরোধ করে। রসুন প্রস্রাবের মাধ্যমে অধিক পরিমাণে লবনাক্ত জল নির্গমনের মাধ্যমে মূত্রাশয় ইনফেকশন প্রতিরোধ করে। ইহা চামড়ার লালচে ভাব ও খোসপাঁচড়া দূর করে যা কিডনি রোগীদের হতে দেখা যায়। 


শতমূলী - শতমূলী উদ্ভিদে রয়েছে গ্লাইকোসাইড ও স্যাপোনিনস যা রক্তকে বিশুদ্ধ করে, মূত্র বৃদ্ধি করে ও বাত রোগ আরোগ্য করে। এছাড়া ও কিডনির কার্যক্রম কে বেগবান করে এবং রক্তের ক্ষতিকর এসিড ও লবণ কে দ্রবীভূত করে যা কিডনিতে পাথর সৃষ্টি হতে দেয় না।

ঘৃতকুমারী - কিডনি ইনফেকশন রোধে ঘৃতকুমারী অত্যন্ত কার্যকরী উদ্ভিদ। এর রস কিডনি পরিষ্কারে চমৎকার কাজ করে। দিনে দুইবার ঘৃতকুমারীর রস সেবন করলে কিডনি রোগ ভালো হয়।   


অলিভ অয়েল - অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল সেবনে দেহের স্ফীতি বা স্থুলতা কমে ও দেহকে টক্সিন মুক্ত করে। ফলে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে ও কিডনি রোগ প্রতিরোধ করে। 


চেরি ফল - এই সুস্বাদু ছোট্ট ফলে রয়েছে ভিটামিন সি, কে, ফোলেট ও ভিটামিন বি, ম্যাগনেসিয়াম ও সাইট্রেট। সাইট্রেট রক্তের ইউরিক এসিড হ্রাস করে এবং আর্থ্রাইটিস ভালো করে। রক্তের এসিড প্রশমনের মাধ্যমে  কিডনি রোগের ঝুঁকি কমে। 


পানি পান - দিনে কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে।  এর ফলে কিডনিতে ক্রমবর্ধমান বিষাক্ত টক্সিন প্রস্রাবের সঙ্গে দেহ থেকে বের হয়ে যাবে। 


গ্রীন টি - চা খেতে হবে গ্রীন টি ব্লুবেরি টি বিভিন্ন হারবাল চায়ে রয়েছে এন্টি - অক্সিডেন্টাল ও ডিটক্সিফাইং উপাদান যা কিডনির কার্যক্ষমতা সচল রাখে। 



ফলের জুস - লেবু, কমলা, আপেল, আঙুর খেলে ইত্যাদি খেলে প্রস্রাবের সঙ্গে ক্ষতিকর উপাদান দেহ থেকে বের হয়ে যায়। ফলে কিডনি রোগাক্রান্ত হতে পারে না। 


তরমুজ - তরমুজ পিত্ত পাথর রোধ করে। তরমুজে রয়েছে ৯২% এলকালিন জলীয় অংশ যা মূত্রে ঘনীভূত বিষাক্ত টক্সিন নির্গমনে সহায়তা করে। তরমুজ লিভারের এমনিয়াকে ইউরিয়ায় পরিনত করতে সাহায্য করে যা অপ্রয়োজনীয় তরলকে দেহ থেকে বের করে দেয়। তবে ডায়াবেটিস রোগিদের অতিরিক্ত খাওয়া উচিত হবে না তরমুজে সুগার রয়েছে। 


লবণ ও মশলা কম খেতে হবে - অতিরিক্ত লবণ খেলে কিডনি সংক্রমণ, উচ্চ রক্তচাপ ও হার্ট এটাক হয়। পটাশিয়ামের পরিমাণ কমে গেলে বুঝতে হবে রক্তে লবনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই জলীয় দ্রবণের ভারসাম্য রক্ষার জন্য লবণ বা লবণজাত খাদ্য কম খেতে হবে। দৈনন্দিন আহারে মসল্লা কম খাবেন, শাক সবজি বেশি খাবেন। 


এই ছিলো আজকের আলোচনা কিডনি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেগুলো আমাদের জন্য অনেক উপকারী হবে যদি আমরা বিষয়টি কে ভালো করে মনে রেখে মেনে চলার চেষ্টা করি। আমি আশা রাখি সকলে এখান থেকে যেই দিক নির্দেশনা গুলো পেয়েছেন অবশ্যই তা মেনে চলার চেষ্টা করবেন। 
ধন্যবাদ সবাইকে। 


Post a Comment

Previous Post Next Post